Friday, January 22, 2016

সিদ্ধিরগঞ্জ পাওয়ার প্লান্ট এ আগুন !

গত ২৩ জানুয়ারী শুক্রবার রাতে সিদ্ধিরগঞ্জে ৩৩৫ মেগাওয়াট এর কম্বাইন্ড পাওয়ার প্লান্ট নির্মান স্থাপনায় আগুন লেগে কর্মরত স্প্যানিশ কোম্পানীর ২ তলা বিশিষ্ট অফিস ভবন পুরে যায় । ডেপুটি এসিস্টেন্ট ডিরেক্টর মাসুদুর রহমান আকন বলেন, ছয় টি আগুন নির্বাপক ইউনিট প্রায় দেড় ঘন্টা যাবত অক্লান্ত পরিশ্রম করে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয় ।fire+logo
কোন সাংবাদিক কেই কম্পাউন্ডের ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়া হয় নি ।
প্রথম তলাতে রাখা সকল ধরনের ফাইল পত্র এবং অন্যান্য বস্তু পুড়ে ভস্ম হয়ে গেছে ।
কিন্তু এতে বড় ধরনের কোন ক্ষতি হয় নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কেননা গুরুত্তপুর্ন ডাটা এবং অন্যান্য তথ্যাদি কম্পিউটারে সংরক্ষিত আছে । একটা শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সুত্রপাত বলে মনে করছেন প্রজেক্ট ডিরেক্টর নাজমুল আলম । নারায়ানগঞ্জ-আদমজি ইপিজেড রোড প্রায় দেড় ঘন্টা যাবত বন্ধ ছিলো এই ঘটনার সময়ে । তখন তীব্র যানযট এর সৃষ্টি হয় । প্রজেক্ট ডিরেক্টর এর ভাষ্যমতে এই পাওয়ার প্লান্ট এই বছরের এপ্রিল মাস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করবে । ৩২ জন স্প্যানিশ, ৪ জন আর্জেন্টাইন এবং ২ জন ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ার এখানে কাজ শুরু করেছিলেন ।

Wednesday, January 6, 2016

সানারপাড় নিমাইকাশারী এলাকায় প্যাকেজিং কারখানায় আগুন মেশিনসহ কমপক্ষে ৪’কোটি টাকার মালামাল ক্ষয়ক্ষতি

সোমবার রাত সাড়ে ১২’টায়

কারখানা চলাকালিন সময়ে বৈদ্যুতিক শটসার্কিট থেকে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ডেমরা ফায়ার সার্ভিসের ২’টি ইউনিট প্রায় সাড়ে ৩’ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। কারকানাটি যমুনা ব্যাংক ধুলাইখাল শাখার কাছে ১’কোটি টাকায় দায়বদ্ধ বলে জানা গেছে। কারখানার পি.এম মোঃ এয়াকুব আলী জানান, কারখানাটি সোমবার রাত ১০’টা পর্যন্ত চালু ছিল।

ডেমরা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র ষ্টেশন মাষ্টার মোঃ সোহেল রানা জানায় পানির সু-ব্যাবস্থা না থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রন করতে দেরী হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমান বেশী হয়েছে। কারখানা মালিক আবদুর রহিম জানান, এ অগ্নিকান্ডে কমপক্ষে সাড়ে ৩’থেকে ৪’কোটি টাকার মালামাল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তাছাড়া যমুনা ব্যাংক ধুলাইখাল শাখা থেকে ১’কোটি টাকা লোন নিয়ে কারখানাটি চালানো হচ্ছিল।

কারখানায় ৭০’জন লোক কর্মরত। আগুনে যে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে, তাতে কারখানাটি আবার চালু করতে অনেকদিন সময় লাগবে। আগুনের খবর পেয়ে মঙ্গলবার দুপুরে যমুনা ব্যাংকের কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্থকারখানাটি পরিদর্শন করেছেন বলে তিনি জানান।

 

খবর পেয়ে ডেমরা ফায়ার সার্ভিসের ২’টি ইউনিট ঘটনাস'লে ছুটে এসে কমপক্ষে সাড়ে ৩’ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। তবে আগুন নিয়ন্ত্রনে আসার আগেই কারখানার ৩’টি সেক্টরের ১৭’টি মেশিনসহ সমস্ত মালামাল পুরে যায়। কারখানায় কর্মরত শ্রমিকদের মাঝে দেখা দিয়েছে হতাশা। ডেমরা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র ষ্টেশন মাষ্টার মোঃ সোহেল রানা জানায়, ঘটনাস্থলে পানির সুব্যাবস্থা না থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রন করতে বিলম্ব হয়েছে। আশপাশের বাসাবাড়ীর ট্যাংকি থেকে পানির ব্যাবস্থা করে কারখানার বিভিন্ন দিক দিয়ে দেয়াল ভেঙ্গে পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রন আনতে হয়েছে।