Wednesday, March 30, 2016

সিদ্ধিরগঞ্জ -শীতলক্ষ্যা ওয়াকয়ে । সকলের পছন্দ । মেয়র কে ধন্যবাদ

siddhirganj-sitolokkha-riveসূর্যটা উঠি উঠি করছে ।

সোনালী রোদের আভায় পূর্বাকাশ ধীরে ধীরে আলোকিত হচ্ছে ।

মৃদু ঠান্ডা বাতাস বইছে । বাতাসে নদীর পানিতে ছোট ছোট ঢেউ সৃষ্টি হয়ে দূরে দূরে সরে যাচ্ছে । পুর্বাকাশের উদীয়মান সূর্য প্রতিফলিত হচ্ছে ধীরে ধীরে বহমান পানির প্রবাহ তে ।

বর্নিত রাস্তাটি সিদ্ধিরগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীর পাড় ঘেষে অবস্থিত । রাস্তাটি উত্তরে কাচপুর ব্রীজ এর পুর্ব অংশ থেকে শুরু হয়ে দক্ষিনে সিদ্ধিরগঞ্জ বাজার এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত । ইট বিছানো রাস্তায় নদীর পার্শ বরাবর দেয়া হয়েছে সিমেন্টের ঢালাই করা রেলিং । রাস্তার গড় প্রশস্ততা ১০ ফুট ।

রাস্তার পূর্ব পাশে (নদীর পাশে) তৈরি করা হয়েছে বেশ কয়েকটি ঘাট এবং পশ্চিম পাশে বসার স্থান । রাত্রে পথ চলা সুগম করার জন্য রাস্তার পাশে কিছু দূর পর পর স্থাপন করা হয়েছে বৈদ্যুতিক আলোর খুটি । এই রাস্তাটি শুধু যে সিদ্ধিরগঞ্জের অন্যতম সৌন্দর্য বর্ধক হিসেবে কাজ করছে তা নয়, এটি যথাক্রমে উত্তর থেকে শুরু করে, উত্তর আটি, আটি, উত্তর আজিবপুর, মধ্য আজিবপুর এবং সর্ব দক্ষিনে সিদ্ধিরগঞ্জ বাজার কে সংযুক্ত করেছে । এটি সিদ্ধিরগঞ্জের গুরুত্তপূর্ন আভ্যন্তরীন রাস্তা গুলোর মধ্যে অন্যতম ।

bdnewsnet.comdsd

নদীর পাড়ের রেলিং দেয়া উত্তর-দক্ষিন বরাবর দ্বিমুখী রাস্তায় হেটে চলেছে প্রাতভ্রমনে বের হওয়া মানুষজন। এদের কে দেখে যে কারো মনে হবে, সকালের স্নিগ্ধ প্রাকৃতিক পরিবেশে নদীর পাড়ে হাটা শুধুই যে শারিরীক ভাবে উপকারী তা নয়, এটা মানসিক প্রশান্তি আনয়নের প্রভাবকও বটে ! বেলা বাড়ার সাথে সাথে প্রাত ভ্রমনে বের হওয়া নারী-পুরুষের সাথে আরো এক দল মানুষ কে দেখা যায় ।

এরা কর্মজীবি মানুষের দল । কর্মস্থানে ছুটে চলেছেন এরা পায়ে হেটে, সকালের স্নিগ্ধ রোদে আলোকিত পথ ধরে ।

 

প্রবাহমান নদীর পাশে অবস্থিত এই পথটির বিকাল বেলার চিত্র আরো সুন্দর । পড়ন্ত বেলায় এখানে জমে উঠে আড্ডা । সকল ধরনের মানুষ এই সময়ে নদীর পাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে চলে আসেন ।

উঠতি বয়সের তরুনদের আড্ডা, মধ্যবয়সী নারী-পুরুষের আয়েশী হাটা, ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের ঝালমুড়ি অথবা বাদাম কিনে খাওয়ার হিড়িক এবং রাস্তার উত্তর-পশ্চিম পাশের অনেকটা অংশ জুড়ে বিস্তৃত গাছের সারির ফাকে ফাকে জমে থাকা পড়ন্ত বিকেলের সৌন্দর্য – এ যেনো মানুষের সাথে প্রকৃতির এক অপূর্ব মিলন মেলা ।

 

দিনমনি পাটে বসার সময় কর্মজীবি মানুষের দলটা কে আবার চোখে পড়বে । কাজ শেষে গন্তব্যে ফিরে চলার পথে তারাও মুগ্ধ হন অস্তগামী সুর্যের আলোর ছটায়, সন্ধ্যার আলো-আধারীর খেলায় ।

bdnewsnet.comdsd

 

Thursday, March 24, 2016

নারায়ণগঞ্জ এর পুলিশ এ এস পি -ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন বদলি

asp-pollice-bangladesh

 

নীতিবান ও দক্ষ এ পুলিশ কর্মকর্তাকে  ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন সিদ্ধিরগঞ্জে সংঘটিত  ৭ খুন মামলার মতো লৌমহর্ষক ঘটনার পর পরই জেলার সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে তৎসময়কার নরসিংদী জেলা পুলিশ থেকে ২০১৪ সালের মে মাসে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন দায়িত্ব গ্রহণের পর নারায়ণগঞ্জের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। কর্মনিষ্ঠা,সততা এবং আদর্শের কারণে সম্প্রতি বিভাগীয়ভাবে তার মর্যাদাকে মূল্যায়িত করে অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে তাকে পদোন্নতি দেয়া হয় ।

বুধবার(২৩ মার্চ) সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয় নারায়ণগঞ্জ এর পুলিশ এ এস পি -ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন বদলি  হয়েছেন । অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিনকে সদর দপ্তরে (হেডকোয়ার্টার) বদলি কর হয়েছে।

পুলিশে বড় ধরনের রদবদল করা হয়েছে। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনারসহ ৪৮ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে দেশের বিভিন্ন স্থানে একযোগে বদলি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১৬ জন উপমহাপরিদর্শকও রয়েছেন। গতকাল বুধবার বিকেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বদলির আদেশসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

সূত্র জানায়, চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে রদবদলের একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়। যাচাই-বাছাই শেষে এ-সংক্রান্ত ফাইলটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়। প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দেওয়ার পরই রদবদলের প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী সিএমপির কমিশনার আবদুল জলিল মণ্ডলকে র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক, র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. আফতাব উদ্দিন আহমেদকে এসবির উপমহাপরিদর্শক, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি ইকবাল বাহারকে সিএমপির কমিশনার, পিবিআইয়ের ডিআইজি ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমানকে পুলিশ সদর দপ্তরে, ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ইব্রাহিম ফাতেমীকে পুলিশ স্টাফ কলেজে বদলি করা হয় ।

একজন নিষ্ঠাবান এবং সৎ পুলিশ কর্মকর্তা হিসাবে খন্দকার মহিদ উদ্দিন একজন সুপরিচিত নাম । তার মত দক্ষ ও নিতিবান পুলিশ সদস্যরাই পাড়ে আমাদের  সমাজকে বদলে দিতে । বদলির অনুভহুতির কথা জানতে চাইলে    ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন জানান  " তিনি যেখানেই যান সেখানেই যেন নিজের নীতি এবং সততার মাধ্যমে সমাজের সেবা করতে পাড়েন তার চেষ্টাই করবেন । "

তবে নারায়ণগঞ্জ জেলা নতুন পুলিশ সুপার দায়িত্ব গ্রহণ করার আগ পর্যন্ত ড. খন্দকার মহিদ চলতি দায়িত্বে বহাল থাকবেন বলে জানান, জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া।

 

 

 

Tuesday, March 22, 2016

আইলপাড়া-পাঠানটুলী এলাকায় হাত বাড়ালেই পাওয়া যাচ্ছে ইয়াবা -

yaba-siddhirganj

আইলপাড়া-পাঠানটুলী এলাকায় হাত বাড়ালেই পাওয়া যাচ্ছে ইয়াবা। সহজলভ্যে এই ইয়াবা তরুণ ও কিশোরদের করছে বিপদগামী। এলাকায় মাদক ব্যবসা প্রতিরোধে সভা সমাবেশ করেও কোন লাভ হচ্ছে না। । মাদক ব্যবসায়ীরা এতই বেপরোয়া হয়ে উঠেছে যে, তারা কাউকে মানছে না। । এলাকার অভিভাবক মহল এ নিয়ে রয়েছে চিন্তিত ও শঙ্কিত।
এলাকাবাসী সূত্রে প্রকাশ, সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন সিটি কর্পোরেশনের ৮নং ওয়ার্ডের আইলপাড়া পাঠানটুলী এলাকা বর্তমানে ক্রাইম জোন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। শুধু তাই নয় পর পর গত দুই বার জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় উক্ত এলাকার মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করে এলাকাকে মাদকমুক্ত করার কথা উঠেছে। কিন্তু অদ্যাবধি প্রশাসনের তেমন কোন অভিযান লক্ষ্য করা যাচ্ছে না বিধায় এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।একাত্তর লাইভ ডট কমের সিদ্ধিরগঞ্জ সংবাদদাতার মাধ্যমে   জানা যায় পুরাতন আইলপাড়ার  কিছু চিহ্নিত  কয়েকজন ( নাম উল্লেখ করা হোল না )  ইয়াবা ও মাদক ব্যবসায়ী ভোর সকাল থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত বীরদর্পে তাদের মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

উক্ত মাদক ব্যবসায়ীদের নামে বিভিন্ন থানা ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে মাদক মামলা সহ বিষ্ফোরক ও হত্যা মামলাসহ বিভিন্ন মামলা এবং অভিযোগ রয়েছে। গত ২২ মার্চ মাদক  বিক্রেতা  দেলোয়ার হোসেন দেলুকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ এলাকাবাসীর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গ্রেফতার করে ৬টি মামলায় আটক দেখায়। সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে গতকাল বিজ্ঞ আদালতে আসামী দেলুকে হাজির করলে বিজ্ঞ আদালত ৫দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। ইতিমধ্যে দেলু এলাকার বেশ কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ীর নাম প্রকাশ করেছে বলে জানা যায়। উক্ত মাদক স¤্রাট দেলুর রয়েছে একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক। সেই সাথে দেলুর বেশ কয়েকটি অবৈধ অস্ত্র থাকায় এলাকাবাসী সব সময় শঙ্কিত থাকতো। এলাকাবাসী দেলুর অবৈধ অস্ত্র ও দেলুর শেল্টার দাতাদের গ্রেফতারের দাবী জানিয়েছে। জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থা নিলে এবং জেলা প্রশাসনের কঠোর ভূমিকা থাকলে আইলপাড়া পাঠানটুলী এলাকা মাদকমুক্ত হবে বলে এলাকাবাসী বিশ্বাস করে।

Monday, March 14, 2016

ইয়াবার ভয়াল গ্রাসে সিদ্ধিরগঞ্জ - শেয়ার করুণ

yaba-siddhirganj

বিষাক্ত মরন নেশা ইয়াবার ছোবলে আক্রান্ত  আমাদের সিদ্ধিরগঞ্জ ।

থানা এলাকায় মাদকের প্রসার ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিটি পাড়ামহল্লায় অবাধে বিক্রি হচ্ছে ইয়াবা। দিন দিন বেড়েই চলেছে ইয়াবা সেবীদের সংখ্যা।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকায় কমপক্ষে পাচ শতাধিক  নারী-পুরুষ গাঁজা, ফেনসিডিল, হেরোইন, মদ, ইয়াবসহ মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। থানার এমন কোন এলাকা বাদ নেই, যে এলাকাতে ইয়াবার বিক্রি হচ্ছেনা।

অনেকের কাছে ইয়াবা বিক্রি করা একটি নতুন অর্থ উপার্জনের একটি সহজ উৎস বলে জানা যাচ্ছে । আটি , ওয়াপদা কলোনির  দিন মজুর সর্দার এর ছেলে  রাসেল (  ছেঁচড়া রাসেল  ) ইয়াবা বিক্রির টাকায় কিছুদিন আগে ধুম ধাম করে বিয়ে করেছে বলে জানা যায় ।  অনেক উঠতি বয়সের ছেলে পেলে নতুন ইয়াবা বিক্রির ব্যাবসা শুরু করেছে বিভিন্ন যায়গায় ।

ইয়াবার অবাধ ছড়াছড়িতে যে কেউ হাত বাড়ালেই পেয়ে যাচ্ছে  । ইয়াবার দাম মাত্র যেখানে ১৫০ টাকা ।   স্কুল  কলেজ পড়–য়া ছাত্ররাও ঝুঁকে পড়েছে ইয়াবা সেবনে। এলাকাবাসীর অভিযোগ স্থানীয় প্রশাসন মাদক বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন না করায় প্রকাশ্যে দাপটের সাথে বিক্রি হচ্ছে ইয়াবা।

সম্প্রতি  ইয়াবার কয়েকটি নমুনা সংগ্রহ করে সরবরাহকারীদের ধরতে অভিযান শুরু করেছে ডিবি পুলিশ। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) দক্ষিণের অবৈধ মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও প্রতিরোধ ইউনিটের সহকারী কমিশনার (এসি) মো. আসাদুজ্জামান বাংলানিউজকে জানান, কয়েকমাস আগে রাজধানীর বাসাবো থেকে বিপুলসংখ্যক ইয়াবা উদ্ধার করার পর ল্যাব টেস্ট করা হয়। এতে দেখা যায়, এগুলো জন্মবিরতিকরণ পিল।

শুধু তাই নয়, ইয়াবার নামে অনেক সময় ঘুমের ওষুধ বিক্রি করা হয়। ডিবি পুলিশের (উত্তর) অবৈধ মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও প্রতিরোধ ইউনিটের এসি একেএম মাহবুবুর রহমান বাংলানিউজকে জানান, ঘুমের ওষুধে লাল রং দিয়ে ডব্লিউওয়াই (WY) লিখে বাজারে বিক্রি করে। মাত্র ৫০ টাকার এসব ইয়াবা পাওয়া যায় ।

নিয়মিত ইয়াবা গ্রহণ করেন  এমন একজন  বিডিনিউজনেট কে জানান, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিশেষ করে যারা আগে কখনো ইয়াবা খায়নি তাদের কাছে এটি বিক্রি করা হয়। অপরিচিত ও নতুন গ্রাহককে এসব নকল ইয়াবা দিয়ে প্রতারণা করা হয় বলে জানান তিনি।

 

 

তাছাড়া মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে স্থানীয় প্রশাসনেরও রয়েছে কিছুটা সখ্যতা।অল্প কিছু  প্রশাসনের কর্মকর্তারা পাচ্ছে নিয়মিত মাসোহারা।কিন্তু তাই বলে সবাই  দুরনিতিগ্রস্থ নয় ।  পর্যবেক্ষক মহলের মতে, মাদকের আগ্রাশনের কারণেই থানা এলাকায় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, খুন, ধর্ষনসহ অপরাধ মুলক কর্মকান্ড ব্যপকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। দিন দিন আইনশৃংখলার পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে।


এলাকাবাসীর অভিযোগ, ইয়াবা ব্যবসার প্রতিবাদ করলে বিভিন্নভাবে হয়রানীর শিকার হতে হয়। ইয়াবা বিক্রেতাদের শেল্টারদাতা সন্ত্রাসী ব্যক্তিদের নির্যাতন হুমকি ধামকি মাদক বিক্রেতাদের সাজানো মিথ্যা মামলার আসামী হয়ে পুলিশী হয়রানীসহ নানা ঝামেলায় পরতে হয় প্রতিবাদকারীর। যে কারণে ভয়ে কেহ প্রতিবাদ করেনা।


কিছু পুলিশের সাথে মাদক বিক্রেতাদের গোপন আঁতাত থাকায় পুলিশ তদন্ত ছাড়াই প্রতিবাদকারীর বিরুদ্ধে মাদক বিক্রেতাদের সাজানো মিথ্যা মামলা রুজু করে গ্রেফতার অভিযান শুরু করে দেয়। ফলে মাদক ব্যবসায়ীরা কাউকে পাত্তা দিচ্ছেনা।

তবে এলাকাবাসিদের মধ্যে প্রতিবাদী তরুণরা একসাথে হলেই মাদক এবং ইয়াবা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হবে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা ।

স্বাস্থ্যগত সমস্যা

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. তাজুল ইসলাম ডয়চে ভেলেকে জানান, ‘‘বাংলাদেশে এখন ইয়াবাসেবী তরুণের সংখ্যা ৪০ লাখের কম নয়৷ এথেকেই প্রতিদিন বাংলাদেশে ইয়াবা ব্যবহারের পরিমাণ সম্পর্কে ধারণা করা সম্ভব৷”

তিনি জানান, ‘‘এখন চিকিৎসা নিতে আসা মাদকসেবীদের ৮০ ভাগই ইয়াবা আসক্ত৷ এরা বয়সে তরুণ এবং অপেক্ষাকৃত স্বচ্ছল ঘরের সন্তান৷ তরুণীরাও এই মাদক গ্রহণ করছেন৷” ডা. ইসলাম বলেন, ‘‘ইয়াবা সেবনে শরীরে মারাত্মক প্রতিক্রিয়া হয়৷ সেবনের পর প্রথমে মনে হয় শরীরে অনেক শক্তি এসেছে, সব ক্লান্তি কেটে গেছে৷ এটি একটি উত্তেজক মাদক৷ দীর্ঘমেয়াদে এটি পুরো স্নায়ুতন্ত্রের ওপর প্রচণ্ড খারাপ প্রভাব ফেলে৷ স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক কাঠামো ও কার্যক্রম নষ্ট করে দেয়৷ এ ধরনের মাদকের প্রভাবে অনেক সময় মানুষ বদ্ধ পাগলের মতো আচরণ করে (সাইকোসিস সিনড্রম)৷

এর ফলে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের (স্ট্রোক) ঝুঁকিও তৈরি হয়৷ছেলেদের শরীরে উপরেও ইয়াবার মারাত্মক প্রভাব পড়ে। নিয়মিত সেবনে পিঠে ব্যথা, পিঠ গোলাকার হয়ে যাওয়া, শরীরের বিভিন্ন হাড় ও জোড়ায় ব্যথা, সামান্য আঘাতে হাড় ভেঙে যাওয়ার মতো জটিল সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে জানান তিনি।

মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করতে জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সচেতন মহল।sid