Wednesday, January 17, 2018

হকার উচ্ছেদ নিয়ে মেয়র আইভির বাড়া বাড়ি









 অনেকদিন ধরেই নারায়ণগঞ্জে হকার এবং তাদের উচ্ছেদ নিয়ে চলছিল উতপ্ত রাজনৈতিক বাক্য আলাপ । হকার এবং তাদের যত্র তত্র ফুটপাত দখল হয়ত কিছুটা হলেও সাধারন মানুষদের চলাচলে বিগ্নিত করে । কিন্তু এই সাধারন মানুষরাই কিন্তু ফুটপাত টিকিয়ে রেখেছে ।

হকারদের কাছ থেকে চাদা যেই নেউক না কেন রাস্তার পাশে খোলা আকাশে  দোকান  খুলে বসা মানুশগুলো কিন্তু কোটিপতি না । নিদারুন পেটের দায়েই এই সকল মানুশগুলা ফুটপাতে বসে কিছু বিক্রির চেষ্টা করে । সখের বসে আনন্দে রোদ বৃষ্টি আর শীতে তারা রাস্তায় দাড়ায় না ।




নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের অনেক গুরত্বপুরন কাজ আছে এবং অনেক কাজ যা এখন শুরুই  হয় নি সেখানে মেয়র আইভি তার লাইফের মিশন হিসাবে যেভাবে হকার উচ্ছেদ কে একটি ইস্যু বানিয়ে একটি সংঘাত ময় পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছেন তা একান্তই তার রাজনৈতিক ব্যারথতা ।  কিছু গরীব মানুষের পেটে লাথি মেরে আমাদের ভদ্র সমাজের চলাচলের রাস্তা তৈরি করা কতটুকি শোভনীয় ।



হ্যা এটা সঠিক হকার যেখানেই বসুক যে  ব্যাক্তি রাজনৈতিক ক্ষমতায় আছে তারা এর থেকে চাদা নেয় । এটি শুধুমাত্র নারায়ণগঞ্জের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না । হকার রা চাদা দেয়  , তারা পেটের দায়েই দেয় । কাউকে চান্দা দিয়ে যদি তার পেট চলে তাতে সেই খেটে খাওয়া মানুষগুলোর আপত্তি নেই । সিটি কর্পোরেশনের অনেক গুরত্বপুরন কাজ বাদ দিয়ে শুধুমাত্র  সংসদ শামিম ওসমানের বিরোধিতা করার লক্ষে  এতগুলা গরীব মানুষের পেটে লাথি দেওয়ার কোন মানে হয় না ।





আমাদের আহবান মেয়র আইভির কাছে দয়াকরে গরীব মানুশগুলার পেটে লাথি না মেরে তাদের জন্য কিছু করুণ । চাদায় ভাগ পান না বলে হকার উচ্ছেদ করে রাস্তা পরিস্কার করার আইডিয়া কাজ করবে না । আপনি হয়ত বসুন্ধরা নাইলে যমুনায় যান - লক্ষ গার্মেন্টস কর্মী আর খেটে খাওয়া মানুশগুলার বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্স হোল নারায়ণগঞ্জ এর ফুটপাত । আর এই ফুটপাতে বসে হকার দের ঘরে  খাবার জোটে । মানুষের ভাতের প্লেটে লাথি দিয়ে লাভ নাই ।