Saturday, April 2, 2016

সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুরিতে - ধানমন্ডির দৃক গ্যালারি কর্মকর্তার মৃতদেহ

BD-ws
দৃক গ্যালারির জেনারেল ম্যানেজার রেজাউর রহমান জানান, শনিবার বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে ধানমন্ডির ৮নম্বর সড়কে অবস্থিত ডাচবাংলা ব্যাংকের শাখা থেকে দৃক গ্যালারির তিন লাখ টাকা উত্তোলন করেন ইরফানুল ইসলাম। দুপুর বারটা থেকে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। দৃক গ্যালারি ধানমন্ডি পনেরতে অবস্থিত। সেখানে তার ফিরে আসার কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়া পর্যন্ত তিনি আর ফিরে আসেননি। রোববার সকালে পত্রিকায় নারায়ণগঞ্জে অপ্সাত পরিচয় লাশ উদ্ধারের খবর শুনে তারা নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে আসেন।

দুপুর দেড়টায় নিহতের বড় ভাই ইমদাদুল ইসলাম নওশাদ লাশ সনাক্ত করেন। কি কারনে তাকে হত্যা করা হয়েছে তা তারা নিশ্চিত নন বলে জানান। তার ব্যাক্তিগত বা পারিবারিক কোন শত্রু ছিলোনা বলে তারা জানতে পেরেছেন। তার উত্তোলন করা ব্যাংকের টাকার জন্য তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে তিনি ধারনা করেন। নিখোজের পর তিনি বাদি হয়ে এ ব্যাপারে কলাবাগান থানায় একটি জিডি করেন।
নিহতের ভাই ইমদাদুল ইসলাম নওশাদ জানান, নিহতের পিতার নাম মাহবুবুল ইসলাম। ঢাকার হাজারীবাগ এলাকার মনেশ্বর রোডে তারা থাকেন। তার একটি মাত্র ছেলে। ছেলের নাম ইফতেখারুল ইসলাম উমাম। সে এসএসসি পরীক্ষার্থী। তার স্ত্রীর নাম জোহরা।

আজ দুপুর আড়াইটায় নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে তার ময়না তদন্ত সম্পন্ন করা হয়। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার আসাদুজ্জামান ময়না তদন্ত শেষে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হতে পারে। তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।<br
এর আগে শনিবার বিকেলে সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়ি এলাকায় অজ্ঞাত হিসেবে লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদস্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতল মর্গে প্রেরন করে।

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোখলেসুর রহমান জানান, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের পাশে জালকুড়ি এলাকায় শনিবার বিকেলে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির লাশ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসি পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। নিহতের শরীরে হলুদ পাঞ্জাবী ও সাদা রংয়ের প্যান্ট ছিল। তাকে হত্যা করা হয়েছে কিনা ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর জানা যাবে। হত্যা হয়ে থাকলে কারা কি কারনে তাকে হত্যা করা হয়েছে তা তদন্তের পর বলা যাবে। এ ব্যাপারে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় শনিবার গতকাল একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছিলো। এখন এটি হত্যা মামলায় রুপ নেবে। তিনি বলেন, অন্য কোথাও হত্যা করে তাকে এখানে এনে ফেলা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

 

 

0 comments:

Post a Comment